১। অফিসের নাম ঃ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, খুলনা।
২। মন্ত্রণালয় ঃ খাদ্য ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়।
৩। স্থাপিত ঃ বেঙ্গল রেশনিং আদেশ, ১৯৪৩ জারীর মাধ্যমে
(১৯৪৩ সালে বেঙ্গল সিভিল সাপ্লাই বিভাগ শুরু)
৪। সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও উপনবেশিক শাসকদের উদাসিনতার
কারণে ১৯৪২ সালের দূর্ভিক্ষে বাংলায় ৪৫-৫০ লক্ষ লোক মারা যায়। এই দূর্ভিক্ষ মোকাবিলার জন্য প্রাদেশিক সরকার Bengal Rationings Order/ 1943 জারী করে Bengal Civil Supplies Department প্রতিষ্ঠা করেন। দেশে ভাল উৎপাদন ও বিতর্কিত রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের দরুণ ১৯৫৫ সালে Civil Supply বিভাগ অবলুপ্ত করা হয়। সরকারী গুদামে খাদ্যশস্য না থাকায় মজুদদাররা দাম বাড়িয়ে দেয়। দ্রব্যমূল্য ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যায়। ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভুখা মিছিল বাহির হয়। ফলে ১৯৫৬ সালে বেসামরিক সরবরাহ বিভাগের অবয়বে খাদ্য বিভাগ পূণঃ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৫৭ সালে খাদ্য বিভাগকে একটি স্থায়ী বিভাগে রূপান্তরিত হয়।
মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর খাদ্য ও বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রনালয় হিসেবে একটি নুতন মন্ত্রনালয় আত্ম প্রকাশ করে। মন্ত্রনালয়ের অধীনে খাদ্য অধিদপ্তর নামে একটি প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করা হয়।
৫। দায়িত্ব সমূহ/সিটিজেন চার্টার ঃ সংযুক্ত
৬। অফিস প্রধানের নাম ও পদবী ঃ জনাব মোঃ মনিরুল ইসলাম, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, খুলনা
৭। সাংগঠনিক জনবল কাঠামো ঃ প্রথম শ্রেণীর-১২ জন, ২য় শ্রেণীর-১ জন, তৃতীয় শ্রেণীর-৫৭ জন, ৪র্থ শ্রেণীর-৭০
জন,
মোট= ১৪০ জন
৮। অনারবোর্ড (সকল কর্মকর্তাদের) ঃ কর্মকর্তাদের অফিস কক্ষে সংরক্ষণ করা হয়।
৯। অফিস প্রধানের নামের তালিকা ও
অবস্থান কাল ঃ জনাব মোঃ মনিরুল ইসলাম, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক-১/১২/০৬ হতে অদ্যাবধি।
১০। সেকশন সমূহ ঃ প্রশাসন শাখা, হিসাব শাখা, মজুদ শাখা,চলাচল শাখা, ইনভয়েস শাখা, প্রাপ্তি ও প্রেরণ
শাখা, নেজারত শাখা, কম্পিউটার শাখা, লাইসেন্স ও মিলিং শাখা।
১১। বর্তমান কর্মকর্তাগণ ঃ ১। জনাব মোঃ মনিরুল ইসলাম, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক খুলনা - ২৮৩০০৮৪
(নাম ও পদবী ও যোগাযোগ) ২। জনাব এ, কে, সামছুল হক, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (কারিগরী) - ৭৩১২৩৭
৩। জনাব সুভাস চন্দ্র বিশ্বাস, আর এম ও - ঐ
১২। অফিস কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা ঃ ১। অধীনস্থ কর্মকর্তা/কর্মচারীদের কার্যবন্টন ও কার্যক্রম তদারকীকরণ
২। ডিডিও হিসেবে দায়িত্ব পালন
৩। আর্থিক ক্ষমতানুযায়ী কর্মকর্তা/কর্মচারীদের পেনশন/টাইমস্কেল মঞ্জুরী এবং
জেলার মধ্যে পদায়নের ব্যবস্থা করণ।
৪। ধান কলের লাইসেন্স প্রদান। ডিলার নিয়োগ ও তাদের কার্যক্রম তদারকী।
৫। পরিবহন ও শ্রমিক ঠিকাদার নিয়োগ
৬। সংগ্রহ অভিযান সফল করার জন্য মিলার নির্বাচন, বরাদ্দ প্রদান ও
সরবরাহকারীকে
সংগ্রহ মূল্য নিশ্চিত করণ।
৭। সংগৃহীত পণ্যের গুনগত মান নিশ্চিতকরণ ও ধান ছাঁটাই এর ব্যবস্থাকরণ।
৮। দূর্যোগ পরবর্তী সময়ে জনগণের খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করণ
৯। লক্ষ্যভিত্তিক খাতে জনসাধারণের কাজে যথাসময়ে খাদ্যশস্য পৌছানো।
১০। খাদ্য নিরাপত্তা নীতিকে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা/ত্রান বিতরণ ব্যবস্থাপনার সাথে
সমন্বিতকরণ।
১১। জেলা প্রশাসন সহ অন্যান্য দপ্তরের সাথে সমন্বয় করে জাতীয় কার্যক্রম
পরিচালনা করা।
১৩। সেবা সমূহ এর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা ১। উৎপাদনে সয়ম্ভয়তা অর্জনের লক্ষে সহায়ক মূল্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে
অভ্যন্তরীণ খাদ্যশষ্য সংগ্রহ করা।
২। আপতকালীন বিতরণের জন্য নিরাপত্তা মজুদ গড়ে তোলা
৩। মজুদ খাদ্যশস্য সুষ্টুভাবে সংরক্ষণ
৪। জরুরী গ্রাহকদের (সেনাবাহিনী, বিডিআর, পুলিশ, আনসার, জেলখানা) খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ করা।
৫। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কার্যক্রমে (ভিজিডি, ভিজিএফ, কাবিখা, টিআর)
খাদ্যদ্রব্য ও অত্যাবশ্যকিয় দ্রব্যাদি সরবরাহ করা।
৬। খাদ্যশস্যের মূল্য স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য ও এম এস খাতে খাদ্যশস্য বিক্রি
করা।
৭। বাজারদর পর্যবেক্ষন ও মনিটরিং করা।
১৪। অন্যান্য ঃ
১৫। যোগাযোগের ঠিকানা ঃ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, ফরাজী পাড়া, খুলনা।
১৬। ওয়েব ঠিকানা ঃ www.dgfood.gov.bd
সিটিজেন চার্টার
১। চালকল লাইসেন্স ইস্যুঃ
চাল সংগ্রহ ও নিয়ন্ত্রন আদেশ ২০০৮ এর বিধান মোতাবেক বাংলাদেশ ভুখন্ডে স্থাপিত অটো, মেজর ও হাস্কিং মিলে লাইসেন্স ইস্যু করা হয়। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর হতে এই লাইসেন্স ইস্যু করা হয়। লাইসেন্স ইস্যুর ক্ষেত্রে নিম্মবর্ণিত বিষয়গুলি পরীক্ষা করা হয়।
a মিলের জমি ও যন্ত্রপাতির মালিকানার স্বপক্ষের কাগজপত্র,
a বিদ্যুৎ সংযোগের কাগজপত্র,
a স্থাপিত যন্ত্রপাতি, স্থাপনাদির উৎপাদন ক্ষমতা।
a আবেদনকারীর নাগরিকত্ব বা অন্যান্য বিষয়ে তথ্যাদি
a পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র।
উপরোক্ত তথ্যাদি সঠিক পাওয়া গেলে নিম্মেবর্ণিত ফি ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে জমা নিয়ে লাইন্সেন্স ইস্যু করা হয়।
a অটোমেটিক রাইস মিল- ২০০০.০০
a মেজর রাইস মিল- ২০০০.০০
a হাস্কিং রাইস মিল-১০০০.০০
a প্রতি বৎসর জুন মাসে লাইসেন্স ফি’র ৫০% জমা নিয়ে নবায়ন করা হয়।
২। অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ।
খাদ্য ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের ২১/০৪/২০০৫ খ্রিঃ তারিখের খাদুব্যম/অভ্যৎ সংগ্রহ নীতিমালা-১ /২০০৫-৮৯ নং স্মারকে জারীকৃত অভ্যন্তরীণ খাদ্যশষ্য সংগ্রহ নীতিমালা অনুসারে ধান/চাল/গম সংগ্রহ করা হয়।
aসংগ্রহ মৌসুম শুরুর পূর্বে সংগ্রহ মূল্য ও লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে নির্দেশনা দেয়া হয়।
aকৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি ধান/চাল ক্রয় করা হয়।
aলাইসেন্সধারী মিলারদের নিকট থেকে চাল সংগ্রহ করা হয়।
aসংগ্রহ শুরুর পুর্বে নির্বাচিত গণপ্রতিনিধি, মিলার প্রতিনিধি ও সরকারী কর্মকর্তার সমন্বয়ে সভা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
aজেলা সংগ্রহ কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে সংগ্রহ নীতিমালার আলোকে খাদ্যশষ্য সংগ্রহ করা হয়।
aখাদ্য গুদামে কৃষকগণ ধান/গম নিয়ে আসলে আর্দ্রতা ও পরিস্কার পরিচ্ছনতা গ্রহণযোগ্য সীমার মধ্যে থাকলে গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংগ্রহ করেন।
aমিলারদের পাক্ষিক মিলিং ক্ষমতার আনুপাতিকহারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক চালের বরাদ্দ দেন। বরাদ্দ অনুসারে গুদামে সংগ্রহ করা হয়।
a সংগৃহীত পন্যের মূল্য ওজন মান ও মজুদ সনদের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয় (নগদে নয়)।
৩। ও এমএস ডিলার নিয়োগ ও খাদ্য শষ্য বিতরণ।
a খাদ্যশষ্যের উর্দ্ধমুখী বাজার দর রোধকল্পে সময়ে সময়ে সরকারী নির্দেশ অনুসারে ভুর্তুকি মূল্যে ওএম এস খাদ্যশষ্য বিলি করা হয়।
a বিজ্ঞপ্তি জারী করে প্রাপ্ত আবেদনকারীদের সরকার গঠিত কমিটি কর্তৃক ডিলার হিসেবে নির্বাচন ও নিয়োগ করা হয়।
a নিয়োগকৃত ডিলারগণের মাধ্যমে নির্ধারিত মূল্যে খাদ্যশষ্য বিলি করা হয়।
a বিলির সময়ে প্রচার, লাল সালু কাপড়ে ব্যানার ও তদারকী কর্মকর্তার মাধ্যমে সুষ্টু বিক্রি নিশ্চিত করা হয়।
a যে কোন ব্যক্তি নির্ধারিত মূল্যে উক্ত ডিলারের নিকট থেকে চাল ক্রয় করতে পারেন।
৪। অভ্যন্তরীণ সড়ক /নৌ ও শ্রমিক ঠিকাদার নিয়োগ
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রেগুলেশন ২০০৬ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ২০০৮ অনুসারে স্ব স্ব কাজে অভিজ্ঞ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে অভ্যন্তরীণ সড়ক/নৌ শ্রমিক ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়।
a নিয়োগের পূর্বে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি জারী করা হয়।
a সরকার গঠিত কমিটি দরপত্রে গ্রহণ প্রক্রিয়া পরীক্ষা নিরীক্ষা করে যোগ্যতার ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগের সুপারিশ করেন।
aসুপারিশকৃত দরপত্র দাতার সকল কাগজপত্র, দরপত্র গ্রহণ প্রক্রিয়া ইত্যাদি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ নিয়োগের অনুমোদন দেন।
aপ্রয়োজনীয় জামানত গ্রহণ করে চুক্তিপত্র সম্পাদন করা হয়।
aঠিকাদারের বিল ট্রেজারীর মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়।
৫। বিশেষ জরুরী গ্রাহক খাতে খাদ্যশষ্য সরবরাহ।
a সেনাবাহিনীকে চাহিদার ভিত্তিতে ধারে খাদ্যশষ্য সরবরাহ করা হয়।
aবি ডিআর/পুলিশ/আনসার/জেল পুলিশ /কয়েদীদেরকে সরকার নির্ধারিত মূলে চালানের মাধ্যমে জমা নিয়ে খাদ্যশষ্য সরবরাহ করা হয়।
৬। গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষন/ সংস্কার /ত্রান খাতে খাদ্য শষ্য সরবরাহ
aগ্রামীন অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষন ও সংস্কার খাতে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
aদূর্যোগ পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্থ জনসাধারণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।
aবাঁধ নির্মাণ/রাস্তাঘাট সংস্কারের জন্য খাদ্য সহায়তা প্রকল্পে খাদ্য সরবরাহ দেয়া হয়।
aস্কুল শিক্ষার্থীদের পুষ্টি সাধনের জন্য স্কুল ফিডিং খাতে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
aভিজিডি/ভিজিএফ খাতের খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
খুলনা জেলায় ২০০৮-০৯ সনে বার্ষিক বিভিন্ন ফসল আবাদ ও উৎপাদনের প্রতিবেদন