header_01
 বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ০৯, ২০১০
জেলা প্রশাসন
left_menu_pic
Joomla Slide Menu by DART Creations
left_menu_footer
উল্লেখযোগ্য সভা

জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির এপ্রিল-২০১০ মাসের সভার কার্যবিবরণীঃ

সভাপতি : এন এম জিয়াউল আলম, জেলা প্রশাসক, খুলনা

স্থান : জেলা প্রশাসক, খুলনা এর সম্মেলন কক্ষ

তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০১০

সময় : বেলা ১০.০০ টা

উপস্থিত সদস্যবৃন্দ : পরিশিষ্ট-ক, অনুপস্থিত সদস্যবৃন্দ পরিশিষ্ট-খ।

সভাপতি উপস্থিত সদস্যবৃন্দকে স্বাগত জানিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু করেন। শুরুতে জেলায় নতুন যোগদানকৃত কর্মকর্তাগণ সভায় পরিচিত হন এবং সভাপতি তাদেরকে খুলনা জেলায় সাগত জানান। অতঃপর বিগত ২৩-০৩-১০ তারিখ অনুষ্ঠিত সভার কার্যবিবরণী পাঠ করা হয়। কার্যবিবরণীর ৬৪ নং ক্রমিকে সিএমএমইউ এর স্থলে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং ১৫ পৃষ্ঠার পরিশিষ্ট-ক এর উপস্থিত তালিকায় জনাব ম. জাভেদ ইকবাল, সিনিয়র তথ্য অফিসার, পিআইডি প্রতিস্থাপন পূর্বক কার্যবিবরণী সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।

অতঃপর সভায় দপ্তর ভিত্তিক নিম্নরুপ আলোচনা ও সিদ্ধান্তবলী সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়ঃ

 

ক্রঃ নং

দপ্তর

আলোচনা

সিদ্ধান্ত

বাসতবায়ন

 

স্বাস্থ্য বিভাগ

সভায় সিভিল সার্জন, খুলনা জানান,গত ৭ এপ্রিল ২০১০ তারিখ সারা দেশের ন্যায় খুলনা জেলায় যথাযথভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়েছে। উক্ত দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিলো নগর জীবনে স্বাস্থ্য সেবা। খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে দিবসের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র জনাব তালুকদার আব্দুল খালেক। এরপর খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র মহোদয়ের নেতৃত্বে এক বর্নাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। তিনি দিবসটি উদ্যাপনে সার্বিক সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি আরও জানান, আগামী ০২ মে ২০১০ তারিখ সারা দেশের ন্যায় খুলনা জেলায় জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ দিবস পালন করা হবে। ঐ দিন সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় ২৩৫৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩,৪৩,২৯৫টি শিশুকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট এ্যালবেন্ডাজল খাওয়ানো হবে। দিবসটি উদ্যাপনে গত ১৩-৪-১০ তারিখ জেলা এ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি দিবসটি উদ্যাপনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি আরও জানান,মার্চ-১০ মাসে জেলায় মোট ২,৩৬৮ জন রোগী শ্বাসনালীর প্রদাহ/নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয় এবং ৩১ জন রোগী মারা যায়। এ মাসে জেলায় ৮,৫৬২ জন রোগী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়, তন্মধ্যে ৯৬৯ জন রোগী আন্তঃবিভাগে ভর্তি ছিল। মাঠ পর্যায়ে আক্রান্ত ১৫৯০ জন এবং ওআরটি কর্নারে সেবা নিয়েছে ৪৫৬৭ জন রোগী।

জেলায় এ মাসে কোন রোগী মারা যায়নি। জেলার হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ঔষধ মজুদ এবং মেডিকেল টিম গঠনসহ হালনাগাদ করা আছে।

মার্চ-১০ মাসে জেলার তেরখাদা উপজেলায় ০৭জন কালাজ্বরের রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। তবে কোন রোগী মারা যায়নি। অএ মাসে জেলায় কোন আর্সেনিকোসিস রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি। জেলায় মোট আর্সেনিকোসিস রোগীয় সংখ্যা পুরুষ ২১৪ জন এবং মহিলা ১৮০ জন। জেলার ইপিআই, যক্ষমা ও কুষ্ঠসহ বিভিন্ন কর্মসূচী সফলভাবে এগিয়ে চলছে।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়।

সিভিল সার্জন, খুলনা

গণপূর্ত বিভাগ

উপস্থিত নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, জেলা প্রশাসকের বাসভবন সংস্কার কাজ চলছে। জেলা জজ এঁর বাসভবন নির্মাণের অনুমোদন আইন মন্ত্রণালয় হতে পাওয়া গেছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে কাজ শুরু করা যাবে।

এছাড়া পুলিশ সুপারের বাসভবন নির্মাণ/ মেরামতের জন্য পুলিশ সদর দপ্তরের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এবং সিভিল সার্জনের বাসভবন নির্মাণ/ মেরামতের নির্দেশনার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পত্র যোগাযোগ করেননি। জরুরী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পত্র যোগাযোগ করা প্রয়োজন।

তিনি আরও জানান, গত ৩০-৩-১০ তারিখ খুলনায় শেখ আবু নাসের হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। হাসপাতালের নির্মাণ কাজ শেষ না হলেও চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সভায় উপস্থিত গণপুর্ত বিভাগ-২ এর প্রতিনিধি জানান, দাকোপ ও বটিয়াঘাটা উপজেলার আদালত ভবন সংস্কারের প্রাক্কলন প্রস্তুত পূর্বক উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।

১) জেলা প্রশাসকের বাসভবন নির্মাণ কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য অনুরোধ করা হয়।

২) পুলিশ সুপারের বাসভবন নির্মাণ/ মেরামতের জন্য পুলিশ সদর দপ্তরের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণের জন্য পুলিশ সুপার, খুলনাকে এবং সিভিল সার্জন, খুলনার বাসভবন মেরামতের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার জন্য পত্র যোগাযোগের জন্য সিভিল সার্জন, খুলনাকে অনুরোধ করা হয়।

৩)উপজেলা আদালতভবন গুলো দ্রুত সংস্কারের জন্য অনুরোধ করা হয়।

১, ৩ ) নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ-১, খুলনা

২) পুলিশ সুপার, খুলনা ও সিভিল সার্জন, খুলনা

৩) নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ-১ ও ২, খুলনা

সড়ক ও জনপথ বিভাগ

উপস্থিত নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, সড়ক বিভাগের আওতাধীন ৫টি জেলা সড়কের উন্নয়ন কাজ এবং বটিয়াঘাটা সেতু ও পাইকগাছার শিবসা সেতুর নির্মাণ কাজ সন্তাষজনকভাবে চলছে।

সেনের বাজার-তেরখাদা-সাচিয়াদহ রাসতা দ্রুত সংস্কারের নিমিত্ত প্রয়োজনীয় বরাদ্দের জন্য চাহিদা প্রেরণ করা হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে কাজ হাতে নেয়া হবে।

সভায় জনৈক শেখ সেফারুল ইসলামের আবেদনের বিষয়ে অলোচনা করা হয়। আবেদনে তিনি রূপসা ব্রীজের রাসতার দুই পাশে যে গাছা লাগানো হয়েছিল তার অধিকাংশই পরিচর্যার অভাবে মারা গেছে। তিনি রূপস ব্রীজের রাসতার সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য অনুরোধ করেছেন।

১)সেনের বাজার - তেরখাদা-সাচিয়াদহ

রাসতাটি দ্রুত সংস্বারের অনুরোধ করা হয়।

২) রূপসা ব্রীজের রাসতার দুই পাশে গাছ লাগানোসহ সেতুর সৌন্দর্য বৃদ্ধির পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

নির্বাহী প্রকৌশলী

সড়ক ও জনপথ বিভাগ, খুলনা

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর

সভায় নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, জিওবি-৫ প্রকল্পের আওতায় ১৩১টি গভীর নলকূপ, ১০টি রেইন ওয়াটার হারবেস্টার এবং ১০টি পিএসএফ নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

আইলা আক্রান্ত এলাকায় পানি সরবরাহের জন্য ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ওয়াটার সাপাই প্রোগ্রাম প্রকল্পের (বিডভব্লউএসপিপি) আওতায় বরাদ্দকৃত ৪১৮টি গভীর নলকূপ, ২০০টি এস এস টি এবং ৭২টি পি এস এফ ও ১৫০টি গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে।

দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চাল প্রকল্পে বরাদ্দকৃত ৭১টি গভীর নলকূপ, ৪৭টি পি এস এফ এবং ১০টি রেইন ওয়াটার হারভেষ্টিং এর মধ্যে ৩০টি গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে।

এ ছাড়া আইলা উপদ্রুত এলাকায় ইউনিসেফের সহায়তায় কয়রা ও দাকোপ উপজেলার আশ্রয়কেন্দ্র ও ভেড়ীবাঁধে আশ্রিত অসহায় জনগণের নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার জন্য একটি বিশেষ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। যার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এরমধ্যে ০২টি গভীর নলকূপ, ৫৬টি অগভীর নলকূপ, ১৩০টি স্বাস্থ্য সম্মত ল্যাট্রিন স্থাপন, ৯৪টি ল্যাট্রিন মেরামত, ৪৮টি পি,এস,এফ মেরামত ও সংস্কার কাজ চলছে। পানি বঞ্চিত এলাকায় প্রতিদিন ট্রলারে করে ১৮,০০০ লিটার সুপেয় পানি বন্টন করা হচ্ছে। এ কার্যক্রম চলমান আছে। এছাড়া আইলা দূর্গত এলাকায় অতিরিক্ত অগভীর নলকূপ বরাদ্দের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

১) ঘুর্নিঝড় আইলা দূর্গত এলাকার স্যানি­টশন কভা­­জর সহ পানির সমস্যা সমাধানের দি­ক দৃষ্টি রাখার জন্য অনু­রাধ করা হয়।

২) আইলা ক্ষতিগ্রস্থ কয়রা উপজেলার যে সব জায়গার গভীর নলকূপ সফল নয় সেসব এলাকায় অগভীর নলকূপ জরুরী ভিত্তিতে স্থাপনের পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জনস্বাস্থ্য বিভাগকে অনুরোধ করা হয়।

নির্বাহী প্রকৌশলী

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ, খুলনা

 

এলজিইডি

সভায় নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ২০০৯-১০ অর্থ বছরে এলজিইডি খুলনা জেলায় ১৬টি প্রকল্পের কাজ বাসতবায়ন করছে। বর্তমান কাজের অগ্রগতি প্রায় ৫৮%। নতুন বাজারে স্থাপিত ওয়েষ্ট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টে ইতোমধ্যে ওজোপাডিকো লিঃ কর্তৃক সহায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়েছেz প্ল্যান্টটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় চালু করার উদ্যোগ অব্যাহত আছে কিন্তু ঠিকাদার কর্তৃক এখনও প্লান্টটি চালু করা হয়নি।

সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পাইকগাছা জানান, পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবন নির্মাণের জন্য প্রাক্কলন প্রণয়ন এবং ডিজাইন প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের জন্য জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।

১) পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবন নির্মাণের জন্য প্রাক্কলন প্রণয়ন এবং ডিজাইন প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

১) উপপরিচালক

স্থানীয় সরকার

খুলনা।

 

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর

সভায় নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, খুলনা জেলায় বর্তমানে ৩টি প্রকল্পের কাজ চলছে। এরমধ্যে নির্বাচিত বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

বর্তমানে ৫টি প্রতিষ্ঠানের কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে এবং নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। নির্বাচিত বে-সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের ১৫টি বিদ্যালয়ের দরপত্র গত ১৪-৪-০৯ তারিখ গ্রহণ করা হয়েছে। এ মাসের মধ্যে প্রধান কার্যালয় হতে দরপত্র অনুমোদন পূর্বক কার্যাদেশ প্রদান করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, আগামী ১৯ ও ২০ এপ্রিল ১০ তারিখ বর্তমান অর্থ বছরের সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের মেরামত ও সংস্কার কাজের দরপত্র গ্রহণ করা হবে। আগামী মাসের ১ম সপ্তাহে এসব মেরামত ও সংস্কার কাজ শুরু করা যাবে মর্মে আশা করা যায়।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়।

নির্বাহী প্রকৌশলী, শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগ, খুলনা।

 

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ

সভায় উপ-পরিচালক জানান, রবি ২০০৯-১০ বছরের বোরো আবাদের মোট লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫৬,৪৬১ হেঃ জমি। এ পর্যমত অর্জিত মোট ৪৭,৮১০ হেঃ জমি।

রবি মৌসুমে বিদ্যুৎ চালিত সেচ যন্ত্রের সংখ্যা ১১১১, ডিজেল চালিত সংখ্যা ৩০৯২১ এবং সেচকৃত জমির পরিমান ৫৫,৩৮৫ হেঃ। কৃষকের ব্যাংক হিসাব খোলার সংখ্যা ৯৯,৫৬৮টি,স্থানান্তর ৫৩০৩টি, মোট চহিদাকৃত অর্থের পরিমান ৮,২৪,০৬৪০০/= টাকা। এ পর্যন্ত কৃষকের একাউন্টে স্থানান্তরিত অর্থ ৪৩০৩৪০০.০০ টাকা।

বিভিন্ন প্রকার রাসায়নিক সারের প্রাপ্তি, সরবরাহ, মজুদ ও মূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

চলতি বোরো ও ইরি মোসুমে সার মজুদ ও বিতরণসহ কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড বিতরণের দিকে লক্ষ্য রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

উপ-পরিচালক কৃষি সম্প্রসারর বিভাগ, খুলনা এবং

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল),খুলনা

 

বিটিসিএল

উপস্থিত প্রতিনিধি জানান, দপ্তরের কাজকর্ম সুষ্ঠুভাবে চলছে। সমস্যা নেই।

কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়।

বিভাগীয় প্রকৌশলী, বিটিসিএল,খুলনা

 

বিদ্যুৎ বিভাগ

উপস্থিত প্রতিনিধি জানান, বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ প্রাপ্তি কম হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে লোড শেডিং মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে লোড ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে মাধ্যমে লোড সেডিং অনেকটা কম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সভাপতি আসন্ন এইচ এস সি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিদ্যুতের লোড শেডিং কমানোর জন্য অনুরোধ জানান।

সভাপতি রাত ৮.০০ টার পরে দোকান/ মার্কেটসমূহ বন্ধের সরকারী নির্দেশনা যথাযথভাবে পালনে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানান। তিনি প্রয়োজনে একাধিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য বলেন।

১) আসন্ন এইচ এস সি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বিদ্যুতের লোড শেডিং কমানো জন্য অনুরোধ করা হয়।

২) রাত ৮.০০ টার পরে দোকান/ মার্কেটসমূহ বন্ধের সরকারী নির্দেশনা যথাযথভাবে বাসতবায়নে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য অনুরোধ করা হয়।

১) ব্যবস্থাপক, বিবিবি-১/২/৩/৪, খুলনা

২) অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, খুলনা/ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, কেসিসি, খুলনা

 

১০

পানি উন্নয়ন বোর্ড

উপস্থিত নির্বাহী প্রকৌশলী,পওর বিভাগ-২ জানান, আইলায় ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ডার নং ৩২ এর বাঁধে ৭টি ক্লোজার নির্মাণের প্রয়োজন দেখা দেয়। এর মধ্যে নলীয়ান নদী ক্লোজারের জন্য কোন ঠিকাদার না

পাওয়ায় উহার দুই তীরে মোট ২১.১৩০ কিঃমিঃ বাঁধ নির্মাণ কাজ হাতে নেয়া হয় যার মধ্যে ৯টি ব্রীচ ক্লোজিং রয়েছে। কাজগুলির সার্বিক অগ্রগতি ৬০%।

এছাড়া জালিয়াখালী খালের ৩০মিটার ক্লোজার বিগত ২১-০২-১০ তারিখ বন্ধ করা হয়েছে। অপর ৬০ মিটার ক্লোজারটি গত ২৫-৩-১০ তারিখ বন্ধ করার পর গত ১লা এপ্রিল ফেল করে। অপরদিকে নলীয়ান খাল ক্লোজারের ঠিকাদার গত ৩১-৩-১০ তারিখ সাইট পরিত্যাগ করে। তাঁকে সাইটে আনা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি আরও জানান, গোলবুনিয়া ৬০ মিটার ব্রীচ ক্লোজিং বিগত ১১-৩-১০ তারিখে বন্ধ করা হয়েছে। অপর একটি ৪৫ মিটার ব্রীচ গত ২৫-৩-১০ তারিখ বন্ধ করা হয়। উক্ত স্থানের অন্য ৮৫ মিটার ব্রীচটির গভীরতা এতই বেশী যে, উহার জন্য বল্লি পাওয়া দূরহ হওয়ায় বিকল্প নক্শা প্রণয়নের মাধ্যমে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, তবে এ মুহুর্তে উহা ব্যয়বহুল হবে। এছাড়া শুনারী ৬০ মিটার ব্রীচ ক্লোজিং কাজের পানি প্রবাহও গত ০৯ এপ্রিল, ২০১০১০ তারিখ বন্ধ করা হয়।

এছাড়া নলীয়ান নদীর ব্রীচ ক্লোজিং পাচুরদোয়ানীর (৫৫ মিটার), ওরামুখীর (৩৫ মিটার) ব্রীচের পানি প্রবাহও গত ২৫মার্চ, ২০১০ তারিখ বন্ধ করা হয়। পাচুরদোয়ানীর অন্যটি গত ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১০ বন্ধ করা হয়।

১) আইলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পোল্ডার ও ক্লোজারসমূহ দ্রুত মেরামতের জন্য অনুরোধ করা হয়।

নির্বাহী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোড-১ ও ২, খুলনা

 

১১

জেলা শিক্ষা অফিস

সভায় জেলা শিক্ষা অফিসার জানান, দপ্তরের কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে চলছে। সমস্যা নেই।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়।

জেলা শিক্ষা অফিসার, খুলন

 

১২

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস

উপস্থিত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জানান, প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণী খোলা হচ্ছে। ফলে স্কুলে শিশুর উপস্থিতির হার বৃদ্ধি পাবে এবং ঝরে পড়ার হার হ্রাস পাবে। এ শ্রেণীর শিশুর জন্য ভিন্ন বই সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, খুলনা জেলার পাঁচটি উপজেলায় SLIP প্রকল্পের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল উপজেলায় এ কার্যক্রম শুরু করা হবে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনসাধারণের বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রমে সরাসরি অংশ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও জানান, ২০১১ সালের মধ্যে বিদ্যালয়ে গমন উপযোগী সকল শিশুকে স্কুলে ভর্তি করা হবে। ইতোমধ্যে শিশু ও সাক্ষরতা জরীপ শেষ হয়েছে। খুলনা জেলায় বর্তমানে শিশু ভর্তির হার ৯৮%। তবে আবাসন হতে স্কুল দূরে হওয়ায় শিশুরা স্কুলে যাচ্ছে না। এনজিও কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিলে এসব শিশুদের স্কুলে পাঠানো সম্ভব।

এছাড়া বিভিনণ পর্যায়ে শিক্ষক এবং স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সম্মানিত সদস্যগণকে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া সাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ চলছে। এর মাধ্যমে স্কুল পর্যায়ে সার্বিক মানের উনণয়ন ঘটছে।

১) আবাসনে বসবাসরত সকল শিশুকে স্কুলে পাঠানোর লক্ষ্যে এনজিওদের মাধ্যমে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সকল ইউ,এন,ওকে অনুরোধ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল), খুলনা।

 

১৩

জেলা

উপানুষ্ঠা

নিক শিক্ষা ব্যুরো

সভায় সহকারী পরিচালক জানান, হার্ড টু রীচ প্রকল্পের ৩য় স্টেজের ৪র্থ সাইকেলের শিক্ষক-সুপারভাইজারদের সতেজীকরণ ৭ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ গত ০৮ এপ্রিল হতে শুরু হয়ে ১৪ এপ্রিল ২০১০ তারিখে শেষ হয়েছে এবং ২য় পর্ব আগামী ১৮ এপ্রিল হতে ২৬ এপ্রিল ২০১০ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষা কেন্দ্রের গড় উপস্থিতি ৮৬%। এসব কেন্দ্র নিয়মিত পরিদর্শন করা হচ্ছে।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়।

সহকারী পরিচালক, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, খুলনা।

 

১৪

জেলা মৎস্য অফিস

সভায় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা, ডিপো ইত্যাদির পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে লাইসেন্সবিহীন মৎস্য ডিপো, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মৎস্য পরিচর্যা, ওজন বৃদ্ধির জনা চিংড়িতে বিভিন্ন অপদ্রব্য পুশ করা, চিংড়ি পানিতে ভিজিয়ে রাখা, কারখানার বাইরে চিংড়ির মাথা আলাদা করা ইত্যাদি কার্যক্রম বন্ধ করা, চিংড়ি পরিবহন, মজুদ ও সরবরাহের ক্ষেত্রে পাস্টিক ড্রাম ব্যবহার বন্ধ করার নিমিত্ত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা জোরদার করার জন্য অনুরোধ জানান।

তিনি আরও জানান, বেলা, নিজেরা করি বেসরকারী সংস্থা চিংড়ি চাষের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। ফলে বাগদা চিংড়ির উৎপাদন কমার কারণে পূর্বের তুলনায় এ খাতে অর্জন কমে যাচ্ছে। ফলে দেশের রপ্তানী আয় কমে যাচ্ছে। তিনি এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান।

জেলা/উপজেলার বিভিন্ন মৎস্য ডিপো/ মৎস্য প্রক্রিয়াজাত করণ কারখানার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট,

খূলনা/উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল),খুলনা/

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, খুলনা।

 

১৫

জেলা প্রাণী সম্পদ অফিস

সভায় জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার জানান, জেলায় মার্চ/১০ মাসে মোট ৭,৫৬৬ টি গবাদি পশু ও ৩,৮৬,৬০০ টি হাঁস-মুরগীর রোগ প্রতিষেধক টিকা প্রদান করা হয়েছে এবং ৬,৮১৩ টি গবাদি পশু ও ৫৯,৯৯৬ টি হাঁস-মুরগীর চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। কৃত্রিম প্রজনন করা হয়েছে ৩,১২২টি গাভীকে। এছাড়া বে-সরকারী পর্যায়ে ১২১টি হাঁস-মুরগীর খামার এবং ১২৫টি গবাদি পশুর খামার স্থাপন করা হয়েছে। এ মাসে টিকা বিক্রি এবং কৃত্রিম প্রজনন ফিস বাবদ মোট ১,৩৩,৫৪৮/=টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এছাড়া বিতরণকৃত ঋণের টাকা যথারীতি আদায় করা হচ্ছে।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়

জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার, খুলনা

 

১৬

খুলনা সিটি কর্পোরেশন

উপস্থিত প্রতিনিধি জানান, নগরীতে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ বিলবোর্ড রয়েছে। এখন ঝড়ের মৌসুম তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বিলবোর্ডগুলো চিহ্নিত করে অপসারণ করা প্রয়োজন।

তিনি আরও জানান, ২০১০ সালের মধ্যে ১০০% স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে যে সকল স্থানে অস্বাস্থ্যকর পায়খানা রয়েছে তা অপসারণ করার সময় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের সহযোগিতায় যদি স্লাব দিয়ে পায়খানা প্রস্তুত করে দেয়া যায় তাহলে নির্ধারিত সময়ে ১০০% স্যানিটেশন নিশ্চিত সম্ভব হবে।

তিনি জানান, কিছু নগরবাসী এবং প্রায় সকল দোকানদার তাদের ময়লা আবর্জনা ড্রেনে ফেলার কারনে ড্রেনগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং পরিস্কার করতে সমস্যা হওয়ায় শহরে জলাবদ্ধতা এবং মশার সৃষ্টি হচ্ছে।

২০১০ সালের মধ্যে ১০০% স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে যে সকল স্থানে অস্বাস্থ্যকর পায়খানা রয়েছে তা অপসারণ করার সময় স্লাব দিয়ে পায়খানা প্রস্তুত করে দেয়া যায় কিনা এ বিষয়ে কেসিসিবে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, খুলনাকে অনুরোধ করা হয়।

নির্বাহী প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, খুলনা।

 

১৭

জেলা পরিষদ

< ;/td>

উপস্থিত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে এডিপির আওতায় মোট গৃহীত প্রকল্পের সংখ্যা ২১০টি, প্রকল্প সমাপ্ত হয়েছে ১৪০টি এবং চলমান রয়েছে ৭০টি প্রকল্প, অর্জিত অগ্রগতি ৮৫%। এছাড়া ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিলের আওতায় মোট গৃহীত প্রকল্পের সংখ্যা ৭০টি, সমাপ্ত প্রকল্প ৬৫টি, চলমান রয়েছে ০৫টি প্রকল্প, অর্জিত অগ্রগতি ৯৮%

তিনি আরও জানান, ২০০৯-১০ অর্থ বছরে বার্ষিক উন্নয়ন তহবিলে মোট ২২০.০০ (দুই কোটি কুড়ি লক্ষ) টাকার বিপরীতে মোট ১৯০টি প্রকল্পের প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়া গেছে। টেন্ডারের মাধ্যমে ১০৬টি প্রকল্প বাসতবায়নের জন্য দরপত্র আহ্বান করে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। অর্জিত অগ্রগতি ৪৫%। এছাড়া একই অর্থ বছরে জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিলের অর্থায়নে উন্নয়নমূলক কাজ বাসতবায়নের জন্য বরাদ্দকৃত ৪৫.০০ লক্ষ টাকার বিপরীতে ৪০টি প্রকল্পের মধ্যে ২৩টি প্রকল্প বাসতবায়নের জন্য গত ০৯-০৩-১০ তারিখ দরপত্র গ্রহণ করে কার্যাদেশ প্রদান প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রকল্প বাসতবায়ন কমিটির মাধ্যমে গৃহীত ১৭টি প্রকল্পের কাজ চলছে। অর্জিত অগ্রগতি ৩৫%।

তিনি অারও জানান, খুলনার গল্লামারী বধ্যভূমিতে ২,১৬,২৭,৪৯৪/=টাকায় স্বাধীনতা সৌধ নির্মাণ করার জন্য নির্বাচিত ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। ঠিকাদার কাজ শুরত করেছেন। অর্জিত অগ্রগতি ৬৫%।

প্রকল্পের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে অব্যাহত রাখতে অন্রুরোধ করা হয়।

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা,

জেলা পরিষদ, খুলনা

 

১৮

পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ

উপস্থিত ঊপ-পরিচালক জানান, মার্চ-১০ মাসে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে ১০৪২ জন স্থায়ী পদ্ধতি, আইইউডি পদ্ধতি ৩২৮ জন, ইনজেকশন ১৭,৯২৬ ডোজ, ইমপ্লান্ট ০ জন, খাবার বড়ি ২,০০,১৩৮ সাইকেল, কনডম ৩,১৭,৭৭৮ পিস, জেলায় সক্ষম দম্পত্তির সংখ্যা ৫,৩১,২৩০ জন, মোট গ্রহণকারী ৪,১৮,০৬২ জন, সি এ আর ৭৮.৭০%। এছাড়া জেলার ৬৮টি ইউনিয়নে ০১ জন করে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা সুপারভিশন ও মনিটরিং এর দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন।

তিনি ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলায় ক্ষতিগ্রস্থ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলি মেরামত/পূণঃ নির্মাণের জনণ্ঠ সি এম এম ইউ, খুলনা কে অনুরোধ জানান।

এছাড়া পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত বে-সরকারী সংস্থার মধ্যে যে সকল সংস্থার নিজস্ব অপারেশন থিয়েটার আছে তাদেরকে অবশ্যই প্রতি মাসে স্থায়ী পদ্ধতির ক্যাম্পের ব্যবস্থা করতে হবে এবং পরিবার পরিকল্পনা বিভাগকে অবহিত করতে হবে। কিন্তু তিনি জানান, সকল সংস্থা এখনও প্রতিমাসে স্থায়ী ক্যাম্পের ব্যবস্থা করছে না।

সভাপতি আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসরত দরিদ্র ও অশিক্ষিত মানুষদের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে আরো সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান।

১) ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলায় ক্ষতিগ্রস্থ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলি মেরামত/ পূণঃ নির্মাণের জনণ্ঠ সি এম এম ইউ, খুলনা কে অনুরোধ করা হয়।

২) বে-সরকারী সংস্থার প্রতি মাসে স্থায়ী পদ্ধতির ক্যাম্পের ব্যবস্থা করার বিষয়ে তাদের সাথে পত্র যোগাযোগের জন্য উপ-পরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ, খুলনাকে অনুরোধ করা হয়।

৩) অাশ্রয়ন প্রকল্প সমূহে পরিবার পরিকল্পনা কার্যত্রুম জোরদারভাবে পরিচালনার জন্য অনুরোধ করা হয়।

১) নির্বাহী প্রকৌশলী, সি এম এম ইউ, খুলনা

২-৩) উপ-পরিচালক, পরিকল্পনা বিভাগ, খুলনা

 

১৯

খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ

উপস্থিত প্রতিনিধি জানান, দপ্তরের কাজকর্ম স্বাভাবিক ভাবে চলছে। সমস্যা নেই।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়।

চেয়ারম্যান,

কেডিএ, খুলনা

 

২০

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ

উপস্থিত প্রতিনিধি জানান, চলতি আর্থিক সনে অবকাঠামো নির্মাণের আওতায় কতিপয় কাজের টেন্ডার আহ্বান প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুকুর সংস্কার কাজের টেন্ডার আহ্বান করে কিছু কিছু কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। কার্যত্রুম অব্যাহত অাছে।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ, খুলনা

 

২১

পরিবেশ অধিদপ্তর

উপস্থিত প্রতিনিধি জানান, শব্দ দূষণ, কালো ধোয়া এবং পলিথিনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত আছে। এছাড়া দপ্তরের কাজকর্ম স্বাভাবিক ভাবে চলছে। সমস্যা নেই।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়।

পরিচালক,

পরিবেশ অধিদপ্তর, খুলনা

 

২২

সামাজিক বন বিভাগ

উপস্থিত প্রতিনিধি জানান, দপ্তরের কাজকর্ম স্বাভাবিক ভাবে চলছে। সমস্যা নেই।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়।

বিভাগীয় বন

কর্মকর্তা, সামাজিক বন বিভাগ, খুলনা

 

২৩

খাদ্য বিভাগ

সভায় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জানা, খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সরকার নির্ধারিত মূল্যে ফেয়ার প্রাইজ কার্ডের মাধ্যমে নিম্ন আয়ের পরিবারবর্গকে চাল সরবরাহ করা হবে। ইতোমধ্যে ১ হতে ১৫ নং ওয়ার্ড পর্যন্ত ৪২ জন ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পরিবার প্রতি প্রতি মাসে ২০ কেজি চাল কেজি প্রতি ২২/=টাকা দরে দেয়া হবে। চলতি মাসে এ কার্যক্রম শুরু হবে। এছাড়া খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৩১জন ওএমএস ডিলারের মাধ্যমে ৩২৫.৪২০ মেঃ টন চাল বিক্রি করা হয়েছে। বিক্রি কার্যক্রম চলছে।

গত ৭ এপ্রিল ১০ হতে অভ্যন্তরীন গম সংগ্রহের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। খুলনা জেলায় শুধুমাত্র পাইকগাছা উপজেলায় ২১ মেঃ টন গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হয়েছে। প্রতি কেজি গমের সংগ্রহ মূল্য ১৯.৫০ টাকা। সংগ্রহ অভিযান আগামী ০৭-৫-১০ তারিখ পর্যন্ত চলবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংগ্রহ অভিযান সম্পাদনের জন্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, পাইকগাছা এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পাইকগাছা খাদ্য গুদামকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জেলার ২টি সিএসডি এবং ৮টি এলএসডিতে ৫৬৭৫০ মেঃ টন চাল ও ২১৮১ মেঃ টন গমের মজুদ আছে। চলতি মাসের মধ্যে মংলা বন্দরের মাধ্যমে আরও ৬০০০০ মেঃ টন গম সরকারীভাবে আমদানী করা হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় মজুদ পর্যাপ্ত। ওএমএস এর মাধ্যমে চাল বিক্রি করায় এবং কিছু কিছু এলাকায় বোরো ধান কাটা শুরু হওয়ায় খোলা বাজারে ধান/চালের দাম কমে আসছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে খাদ্য বিভাগকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পাইকগাছা, খুলনাকে অনুরোধ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পাইকগাছা, খুলনা

 

২৪

বিএডিসি (বীজ

সভায় প্রতিনিধি জানান, চলতি মৌসুমে আউস বীজ প্রাপ্তি ২১০০০ কেজি, বিতরণ ২১০০০ কেজি, পাট বীজ(দেশী) ৭০০ কেজি, বিতরণ ৭০০ কেজি, পাট বীজ(তোষা) ৯৮৭৮.৬২৫ কেজি বিতরণ ৪৮৭৮.৬২৫ কেজি, স্থিতি ৫০০০.০০কেজি, জিআরও (ভারতীয় জাত ৫২৪) ৩৭২০ কেজি, বিতরণ নাই, স্থিতি ৩৭২০ কেজি। আউজ বীজ (ডিএই প্রকল্প) বিতরণ ১০৩০ কেজি, বিতরণ ১০৩০ কেজি। একমাত্র পাট বীজ ব্যতীত অন্যান্য সকল বীজ বিতরণ করা হয়েছে।

১)উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণকে ডিলারওয়ারী বীজ বরাদ্দের তথ্য প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়।

উপ-পরিচলক, বিএডিসি (বীজ), খুলনা

 

২৫

ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স

উপস্থিত সহকারী পরিচালক জানান, মার্চ -১০ মাসে ২৬ টি অগ্নিকান্ড সংঘটিত হয়েছে। মোট ক্ষতির পরিমান ৭,৯৫,০০০/=টাকা এবং উদ্ধারের পরিমান ১৭,০৮,০০০/=টাকা। এছাড়া এম্বুলেন্স সার্ভিস কার্যক্রলম মোট ফিস অাদায় হয়েছে ৫,২৩৬/=টাকা। এছাড়া খানজাহান অালী ফায়ার স্টেশনের নির্মাণ কাজ এবং অাইচগাতি, রদপসার ফায়ার স্টেশন নির্মাণের দরপত্র আহ্বান পূর্বক কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। কার্যক্রম চলমান।

তিনি আরও জানান, অগ্নি প্রতিরোধ ও নির্বাপন আইন ২০০৩ এর প্রয়োগ করে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফায়ার লাইসেন্স করার জন্য মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত জরুরী বিজ্ঞপ্তি জনস্বার্থে স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশসহ ব্যাপক প্রচারের লক্ষ্যে মাইকিং করা হয়েছে।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত

রাখতে অনুরোধ করা হয়

সহকারী পরিচালক, ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স, খুলনা।

 

২৬

বিজেএমসি

উপস্থিত উপ-মহাব্যবস্থাপক জানান, বিজেএমসি খুলনার আঞ্চলিক কার্যালয়ের ৩.১২ একর রেল লাইনের ভূমি অবৈধ দখলদার হতে উদ্ধারের জন্য জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর আবেদন করা হলে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের দপ্তর হতে এ বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। অদ্যাবধি কোন উত্তর পাওযা যায়নি।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়

উপমহাব্যবস্থাপক ও লিয়াজো কর্মকর্তা, বিজেএমসি,

খুলনা

 

২৭

বিআই

ব্লিউটিএ

উপস্থিত উর্দ্ধতন উপ-পরিচালক জানান, নদীতে নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। বোন দূর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া দপ্তরের কাজকর্ম স্বাভাবিক ভাবে চলছে। সমস্যা নেই।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়।

উদ্ধূতন উপ-পরিচালক(বঃওপঃবিআইডবিউটিএ, খুলনা।

 

২৮

বিএসটিআই

ভায় সহকারী পরিচালক জানান, মার্চ-১০ মাসে ৭৩টি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৭৩টি মামলা দায়ের করা হয় এবং ৩,৩২,৫০০/= টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়া ৫টি স্কোয়াড অভিযান পরিচালনা করে ০৪টি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সভায় বিএসটিআই এর গৃহীত কর্মকান্ডের নিয়মিত প্রতিবেদন আঞ্চলিক তথ্য অফিস (পিআইডি), খুলনায় প্রেরণের জন্য বিএসটিআই, খুলনাকে অনুরোধ করা হয়।

১) ভেজাল বিরোধী এবং ওজনে কম দেয়া, মালামাল সিন্ডিকেট করা ব্যবসায়ীসহ সকল ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, দোকান এবং হাট বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

২) বিএসটিআই এর গৃহীত কর্মকান্ডের নিয়মিত প্রতিবেদন আঞ্চলিক তথ্য অফিস (পিআইডি), খুলনায় প্রেরণের জন্য বিএসটিআই কর্তৃপক্ষ, খুলনাকে অনুরোধ করা হয়।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, খুলনা/

উপ পরিচালক

বিএসটিঅাই, খুলনা/উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল), খুলনা

২) উপ পরিচালক

বিএসটিঅাই, খুলনা

 

২৯

সমাজসেবা অধিদপ্তর

সভায় উপপরিচালক জানান, জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের গ্রামীণ সমাজসেবা (অারএসএস) কার্যত্রুমে ৯টি উপজেলায় উপকৃতের সংখ্যা ২৪৯৫০০জন, উনণয়ন ৬ষ্ঠ পর্ব কার্যত্রুমে উপকৃতের সংখ্যা ১৭৯৯৭ জন, এসিড দগ্ধ মহিলা ও শারীরিক প্রতিবন্ধী পূণর্বাসন কার্যত্রুমে উপকৃতের সংখ্যা ১১০৩০জন। এছাড়া সরকারী শিশু সদন (বালক) ৮৮ জন, সরকারী শিশু সদন (বালিকা) ৯৮জন, বেবী হোমে ৩৩ জন নিবাসী রয়েছে। হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যত্রুমে উপকৃতের সংখ্যা মার্চ, ১০ মাসে ৪৩১জন। জেলায় ঘুর্ণায়মান তহবিলের মূল বিনিয়োগ ৫,৭৩,০৯,০৭৩/=টাকা, মোট অাদায় ৯৩,০৩,৩৮,১৮৬/= টাকা , অাদায়ের হার ৭৩%, মোট উপকৃতের সংখ্যা ৩,৩৪,৩৯৯ জন। এছাড়া বয়স্ক ভাতা, মুত্তিুযোদ্ধা সম্মানী ভাতা, অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ছাত্র/ছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদান কার্যত্রুম যথারিতী চলছে। জেলায় মোট নিবন্ধনকৃত স্বেচ্ছাসেবী সংসহা ১০৫৪টি, বেসরকারী এতিমখানার সংখ্যা ৭১টি, ক্যাপিটেশন গ্রান্টস প্রাপ্ত এতিমখানার সংখ্যা ৬০টি, নিবাসীর সংখ্যা ৮৮৭জন এবং মোট অনুদনের পরিমান ৩৭,২৫,৪০০/= টাকা।

১)গোয়ালখালী শারীরিক প্রতিবন্ধী কেন্দ্রে চলতি বছর ৬ষ্ঠ শ্রেণী হতে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত মূখ ও বধির শিশু ভর্তি কার্যক্রমে সকলের সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

সকল দপ্তর প্রধান, খুলনা

 

৩০

জেলা সমবায় অফিস

উপস্থিত জেলা সমবায় অফিসারের প্রতিনিধি জানান, জরুরী মৎস্যজীবী পূনর্বাসন প্রকল্পে ৮টি সমিতিকে দেয়া ঋণের পরিমান ১,৪০,৩৩,৮০০/=টাকা, আদায়কৃত ঋণের পরিমান ৬,৪০,৯০০/= টাকা, খেলাপী ঋণ ২,১১,১১,৬৩৬/=টাকা। মোট অডিটযোগ্য সমিতির সংখ্যা ১৪৩৭টি এবং পউবো মোট ৭৭৬টি। অডিট ফিস বাবদ আদায় হয়েছে ৬,২৫,৪৭০/=টাকা, আদায়ের হার ৯১%। সমবায় উন্নয়ন তহবিলে আদায় ২,৭৫,০৪৩,/= টাকা, আদায়ের হার ৯৯%। তিনি আরও জানান, মার্চ-১০ মাসে খুলনা জেলায় ২৮টি সাধারণ প্রাথমিক সমবায় সমিতির ৪,২৩৫ জন সদস্য এবং ০১টি পউবো কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির ০ জন সদস্যের মধ্যে যথাক্রমে ৭৬­,৭৯,৪১৩/= টাকা ও ৪,৭০,০০০/= টাকা লভ্যাংশ বিতরণ করা হয়েছে। সর্বমোট ৪৩১৫জন সদস্যের মধ্যে ৮১,৪৯,৪১৩/= টাকা লভ্যাংশ বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া আশ্রয়ন প্রকল্প (ফেইজ-২)প্রকল্পে বিতরণকৃত ঋণের পরিমান ৭৭,০৬,৫০০/= টাকা এবং মোট ঋণ আদায় ৩৯,৮৯,৩৬১/=টাকা, অনাদায়ী ঋণ (সার্ভিস চার্যসহ) ১৩,৭২,৩০৩ /= টাকা। আদায়ের হার ৭৪%। বিবেচ্য মাসে আদায় ৯,১৫,৩৪৪/=টাকা। এছাড়া ভ্রাম্যমান প্রশিক্ষণ কার্যক্রমসহ অন্যান্য কার্যক্রম যথারীতি চলছে।

ুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়

জেলা সমবায় অফিসার, খুলনা

 

৩১

বিআরডিবি

সভায় উপ-পরিচালক জানান, দাপ্তরিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চলছে। ব্যাংক ঋণ চলতি মাসে বিতরণ ৭৪.৭৪ লক্ষ টাকা, আদায়ের পরিমান ৫২.৫৩ লক্ষ টাকা। আবর্তক কৃষি ঋণ বিতরণ ৭৫.১৬ লক্ষ টাকা, আদায় ৬৭.২৮ লক্ষ টাকা। সদাবিক ঋণ বিতরণের পরিমান ৬১.৪০ লক্ষ টাকা, আদায় ৩৬.১০ লক্ষ টাকা। পল্লী প্রগতি প্রকল্পে ঋণ বিতরণ ১৯.৫৫ লক্ষ টাকা, আদায় ১৩.৫২ লক্ষ টাকা। অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের ঋণ বিতরণ মাসে .৬৫ লক্ষ টাকা, আদায় ০.৪৬ লক্ষ টাকা। আদর্শ গ্রাম ২য় প্রকল্পে ঋণ বিতরণ ১.৩২লক্ষ টাকা আদায়০.৯০ লক্ষ টাকা। তিনি আরও জানান, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প শুরু হতে যাচ্ছে। প্রতিটি উপজেলায় ৪টি ইউনিয়ন এবং প্রতিটি ইউনিয়নে ৫টি গ্রাম অন্তর্ভূক্ত করে প্রকল্প প্রনয়ণ করা হয়েছে। শীঘ্রই কার্যক্রম শুরু হবে।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়

উপ-পরিচালক, বিআরডিবি, খুলনা

 

৩২

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর

সভায় প্রতিনিধি জানান, প্রাতিষ্ঠানিক ট্রেডে জেলা কার্যালয় ভিত্তিক ১১টি ট্রেডে এ বছর ১০২০ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং চলতি মাসে ৩২৫ জন প্রশিক্ষণরত রয়েছে। অপ্রাতিষ্ঠানিক ট্রেডে প্রশিক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা ৩০২৫জন। চলতি মাসে ৩৮ জন প্রশিক্ষনার্থীআত্মকর্মসংস্থানমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের অপ্রাতিষ্ঠানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্যমাত্রা ২৭০৬ জন। চলতি মাসে মোট অগ্রগতি ১৭৭ জন। বার্ষিক অগ্রগতি ১০৭৩জন। চলতি মাসে যুব ঋণ বিতরণের পরিমান ১০৭৯০০০/= টাকা, আদায় ৮০৭৪৭৩/= টাকা। আদায়ের হার ৯২%। চলতি মাসে ক্ষুদ্রঋণ ভবতরণ নেই। মাসে অাদায় ২৭,৪৭১০/=টাকা, অাদায়ের হার ৯৪%। এছাড়া যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পে গবাদি পশু, হাঁস-মুরগী পালন, মৎস্য চাষ ও কৃষি বিষয়ক ০১ মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা ৪০০ জন, চলতি মাসে প্রশিক্ষণরত ৬০জন, বছরের অগ্রগতি ২২০জন।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়

উপ-পরিচালক, যুব উনণয়ন অধিদপ্তর, খুলনা

 

৩৩

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর

সভায় জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জানান, খুলনার বয়রা কর্মজীবী মহিলা হোষ্টেলের ওয়াল ও বারান্দার গ্রীল নির্মানের জন্য ৬ লক্ষ ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বিধি মোতাবেক দরপত্র আহ্বান পূর্বক কাজ সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া চলছে।

সভাপতি জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে প্রতিমাসের সমন্বয় সভায় নারী ও শিশু নির্যাতন এবং যৌতুক বিরোধী কার্যত্রুম বিষয়ে অগ্রগতি সভায় উপস্থানের জন্য অনুরোধ জানান। তিনি এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদেরও উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় আলোচ্যসূচীতে বিষয়টি অন্তর্ভূক্তসহ কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং যৌতুক বিরোধী কমিটির সভা নিয়মিত অনুষ্ঠানসহ এ কার্যক্রম আরও জোরদার করার লক্ষ্যে জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে প্রতি মাসের সমন্বয় সভায় উক্ত বিষয়ে কার্যক্রমের অগ্রগতি সভায় উপস্থানের জন্য অনুরোধ করা হয় এবং একই সংগে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদেরও উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভার আলোচ্যসূচীতে বিষয়টি অন্তভূক্তসহ কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

জেলা মহিলা বিষয়ককর্মকর্তা খুলনা

এবং

উপজেলানির্বাহী অফিসার

(সকল), খুলনা

 

৩৪

আঞ্চলিক পরিসংখ্যান অফিস

সভায় আঞ্চলিক পরিসংখ্যান কর্মকর্তা জানান, ইন্ডাষ্ট্রী এন্ড লেবার উইং কর্তৃক লেবার ফোর্স সার্ভে-২০০৯,ইনফরমাল সেক্টর সার্ভে, ভলাট্যারিং সার্ভে এবং লিটরেচারী এ্যাসেসমেন্ট সার্ভের মাঠ পর্যায়ের কাজ চলছে।

তিনি আরও জানান, আদমশুমারী গৃহ গণনা এর প্রথম জোনাল অপারেশন মাসের শেষ নাগাদ শুরু হবে

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়

আঞ্চলিক পরিসংখ্যান অফিসার, খুলনা

 

৩৫

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ

উপস্থিত ডি,পি,এম,জি জানান, বাংলাদেশ ডাক বিভাগের গাড়ি জরুরী ডাক সরবরারহের জন্য রূপসা সেতু পারাপার হতে হয়। পারাপারের সময় টোল দিতে হয়। তিনি সরকারী এ প্রতিষ্ঠানটির টোল মওকুফ করার বিষয়ে সভাপতি মহোদয়কে অনুরোধ জানান।

বাংলাদেশ ডাক বিভাগে অনেক আগে থেকে চালুকৃত জিইপি সার্ভিস গত ১লা বৈশাখ ১৪১৭ হতে উপজেলা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হয়েছে। গত ১ বছরে খুলনা বিভাগে ৬৩,১৮৯টি জিইপি বুকিং হয়েছে যা বাংলাদেশ ডাক বিভাগের সকল ইউনিটের মধ্যে সর্বোচ্চ। এ কারণে ডাক অধিদপ্তর কর্তৃক ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। বর্তমানে খুলনা বিভাগের যে কোন উপজেলা/সাব পোষ্ট অফিস হতে রাজধানী ঢাকাসহ খুলনা বিভাগের যে কোন স্থানে বর্ণিত জিইপি সার্ভিসের সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচারের অনুরোধ জানান।

তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে পোষ্ট অফিসে মটরযান কর ও মটরযান সংক্রান্ত অন্যান্য ফি আদায় গত ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০১০ খ্রিঃ তারিখ হতে চালু হয়েছে। অনলাইন পদ্ধতিতে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই গ্রাহকগণকে এ সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রত্যেক জেলা শহরের প্রধান ডাকঘরে এ সর্ভিস চালু করা হয়েছে। এ ছাড়া পোষ্ট অফিসে ইলেক্টোনিক্স মানি ট্রান্সফার সিমটেস ও পোষ্টাল ক্যাপি কার্ড নামে দুটি সার্ভিস চালু করা হচ্ছে। যার মাধ্যমে প্রত্যন্ত এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মূহুর্তের মধ্যে মানি অর্ডারের টাকা পরিশোধ করা সম্ভব হবে। গত ২৬ মার্চ ২০১০ তারিখ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন। আগামী ২৭ এপ্রিল ২০১০ তারিখ হতে ১০৫টি ডাকঘরে এ সার্ভিস চালু হতে যাচ্ছে।

তিনি জানান, কয়রা উপজেলা পোষ্ট অফিসের নাম মদিনাবাদ পোষ্ট অফিস এবং দাকোপ উপজেলা পোষ্ট অফিসের নাম চালনা বাজার পোষ্ট অফিস থাকায় উপজেলা পোষ্ট অফিসের নামের সাথে প্রশাসনিক উপজেলার নামের ভিন্নতা থাকায় অনেক সময় ডাকদ্রব্য আদান প্রদানে জনসাধারণকে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে উপজেলার নামের সাথে মিলিয়ে মদিনাবাদ পোষ্ট অফিসের নাম কয়রা উপজেলা পোষ্ট অফিস এবং চালনা বাজার পোষ্ট অফিসের নাম দাকোপ উপজেলা পোষ্ট অফিস নামকরন একান্ত জরুরী। ইতোপূর্বে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সহযোগিতায় সাজিয়াড়া পোষ্ট অফিসের নাম পরিবর্তন করে ডুমুরিয়া উপজেলা পোষ্ট অফিস করা হয়েছে। এজন্য তিনি জেলা প্রশাসক মহোদয়কে ধন্যবাদ জানান। অনুরূপভাবে উক্ত পোষ্ট অফিস দুটির নাম পরিবর্তনের জন্য তিনি জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

সভাপতি পোষ্ট অফিস দুটির নাম পরিবর্তনের প্রসতাব প্রেরণের জন্য অনুরোধ জানান।

১) বাংলাদেশ ডাক বিভাগের গাড়ি রূপসা সেতু পারাপারের সময় টোল মওকুফ করা যায় কিনা এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

২)চালনা বাজার পোষ্ট অফিসের নাম পরিবতন করে দাকোপ উপজেলা পোষ্ট অফিস এবং মদিনাবাদ পোষ্ট অফিসের নাম পরিবর্তন করে কয়রা উপজেলা পোষ্ট অফিস করার প্রসতাব প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

১) নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, খুলনা।

২)ডেপুটি পোষ্ট মাষ্টারজেনারেল

খুলনা/উপজেলা নির্বাহী অফিসার, দাকোপ ও কয়রা, খুলনা

 

৩৬

জেলা ক্রীড়া অফিস

জেলা ত্রুীড়া অফিসার জানান, গত ১৩-৪-১০ তারিখ বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ডুমুরিয়া উপজেলার রংপুরে সাতার প্রতিযোগিতা বাসতবায়ন করা হয়েছে। এছাড়া দপ্তরের কাজকর্ম স্বাভাবিক ভাবে চলছে। সমস্যা নেই।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়

জেলা ক্রীড়া অফিসার, খুলনা

 

৩৭

জেলা শিল্পকলা একাডেমী

উপস্থিত জেলা কালচারাল অফিসার জানান, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, ঢাকার উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর আয়োজনে গত আগামী ১৬ এপ্রিল হতে ৩০ এপ্রিল ২০১০ তারিখ পর্যন্ত পক্ষকাল ব্যাপী সংগীত, নৃত্য এবং আবৃত্তির উপর উচ্চতর প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। ঢাকা হতে আগত বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের শিল্পীগণ এ কর্মশালায় প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ গ্রহণকারীদের বয়স সর্বনিম্ন ১৪ বছর হতে হবে। তিনি আগ্রহীদের নাম রেজিস্ট্রেশন করার জন্য অনুরোধ করেন।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়

জেলা কালচারাল অফিসার, খুলনা

 

৩৮

কৃষি বিপনন অধিদপ্তর

কোন প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় আলোচনা করা সম্ভব হলো না।

সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়।

জেলা বাজার কর্মকর্তা, খুলনা

 

৩৯

শিশু একাডেমী

কোন প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় আলোচনা করা সম্ভব হলো না।

সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়।

জেলা সংগঠক, শিশু একাডেমী,

খুলনা

 

৪০

আঞ্চলিক তথ্য অফিস (পিআইডি)

সভায় সিনিয়র তথ্য অফিসার উপস্থিত সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। তিনি সকল দপ্তরের উন্নয়নমূলক কাজের তথ্য আঞ্চলিক তথ্য অফিসে প্রেরণের জন্য অনুরোধ জানান। তাহলে তথ্যগুলি সংবাদ মাধ্যমে প্রচার সম্ভব হবে। এছাড়া দপ্তরের কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে চলছে।

সকল দপ্তরের উন্নয়নমূলক কাজের তথ্য আঞ্চলিক তথ্য অফিসে প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হয়।

১)সকল দপ্তর প্রধান, খুলনা

 

৪১

বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিস

সভায় উপ-পরিচালক জানান, ভিশন- ২০২১ এর লক্ষ্যসমূহ বাসতবায়নে বিভিন্নভাবে প্রচার কার্যক্রম যথাযথভাবে বাসতবায়ন করা হয়েছে। দপ্তরের অন্যান্য কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে চলছে।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়

উপ-পরিচালক বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিস, খুলনা

 

৪২

জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়

কোন প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় আলোচনা করা সম্ভব হলো না।

সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়।

জেলা রেজিস্ট্রার, খুলনা

 

৪৩

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সভায় উপ-পরিচালক জানান, দপ্তরের কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে চলছে।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়

উপ-পরিচালক ইসলামিক ফাউন্ডেশন, খুলনা।

 

৪৪

জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস

োন প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় আলোচনা করা সম্ভব হলো না।

সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়।

সহকারী পরিচালক, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, খুলনা।

 

৪৫

বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়

উপস্থিত প্রতিনিধি জানান, খুলনা বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের নিরীক্ষাকালীন বিভিন্ন অফিসে সিভিল অডিট অধিদপ্তর কর্তৃক বিগত ১৯৭৭-৭৮ অর্থ বছর হতে ২০০৮-০৯ অর্থ বছর পর্যন্ত মোট ৮০৫টি অডিট আপত্তি অনিষ্পন্ন অবস্থায় আছে। উক্ত আপত্তি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সকল বিভাগ কর্তৃক নিষ্পতিমূলক জবাব (প্রমাণসহ) প্রেরণ প্রয়োজন। এ বিষয়ে বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সকল বিভাগীয় ও জেলা অফিসের সাথে বৈঠক করতে ইচ্ছুক। তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি আরও জানান, উন্নয়ন প্রকল্প হতে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত কর্মকর্তা/কর্মচারী ব্যতীত অন্য সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীগণের জাতীয় বেতন স্কেল-০৯ মোতাবেক বেতন নির্ধারনী কার্যক্রম সমাপ্তির পথে।

সিভিল অডিট কর্তৃক উত্থাপিত অডিট আপত্তির প্রমানসহ নিষ্পতিমূলক জবাব প্রেরণের জন্য সকল বিভাগের প্রধানকে অনুরোধ করা হয়।

সকল দপ্তর প্রধান, খুলনা

 

৪৬

ঔষধ প্রশাসন

কোন প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় আলোচনা করা সম্ভব হলো না।

সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়।

ড্রাগ সুপার, খুলনা

 

৪৭

আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়

উপস্থিত প্রতিনিধি জানান, দাপ্তরিক কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে চলছে। খুলন্ব জেলার সরকারী/ বেসরকারী জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহে নিয়োজিত থেকে অংগীভূত আনসারগণ নিরাপত্তার জন্য কাজ করছে। এছাড়া বিভিন্ন ক্যাম্পে নিয়োজিত থেকে ব্যাটালিয়ন আনসারগণ আইনশৃংখলা রক্ষায় কাজ করছে। এছাড়া বিভিন্ন থানায় গ্রাম ভিত্তিক ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ এবং বর্তমানে আনসার ভিডিপি কার্যালয়ে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ চলছে।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়।

জেলা এ্যাডজুটেন্ট,

আনসার ও ভিডিপি, খুলনা

 

৪৮

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

সভায় উপসিহত উপ-পরিাচলক জানান, দপ্তরের কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে চলছে।

সভাপতি জানান, দেশে মাদকসেবীর সংখ্যা কমে গেলে সন্ত্রাসীর সংখ্যাও কমে যাবে। তাই মাদক বিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।

মাদক বিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার জন্য তিনি অনুরোধ করা হয়।

উপ-পরিচালক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর,খুলনা

 

৪৯

বিসিক

উপস্থিত উপব্যবস্থাপক জানান, মার্চ-১০ মাসে খুলনা অঞ্চলে ২০টি লবন কারখানার মধ্যে ১২টি চালু কারখানায় ৪৭১৩ মেঃ টন আয়োডিন যুক্ত লবন উৎপাদন হয়েছে এবং ক্রুড লবন মজুদের পরিমান ১১৬২৫মেঃ টন। চালু কারখানা হতে ৫২টি লবনের নমুনা পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত লবনের মধ্যে বিসিকের জেলা কার্যালয়ের ল্যাবে ২০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ৩২টি নমুনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান অনুষদে প্রেরণ করা হয়েছে। স্থানীয় ল্যাবে পরীক্ষাকৃত লবনে পরিমিত মাত্রার আয়োডিন পাওয়া গেছে। বিসিক শিল্প নগরী শিরোমনিতে স্থাপিত ৬৯টি শিল্প ইউনিট চালু আছে। শিল্পনগরীর বিভিন্ন চার্জ, বিল ও অন্যান্য করের ক্রমপুজ্ঞিত আদায়যোগ্য ৩.০৩কোটি টাকার মধ্যে আদায় হয়েছে ২.৭৪ কোটি টাকা। আদায়ের হার ৯০%।

তিনি আরও জানান, বিসিক শিল্পনগরী শিরোমনিতে ১৯৬৫ সালে অধিগ্রহণকৃত ৪১.৯৫ একর জমি রয়েছে। আর এস রেকর্ডে ভূলক্রমে উক্ত জমি বিসিকের নামে রেকর্ড না হয়ে সরকারী ১নং খাস খতিয়ানে জেলা প্রশাসক, খুলনার নামে রেকর্ড হয়েছে। পরে উক্ত জমির মালিকানা স্বত্ত্ব্ নির্ধারণ ও রেকর্ড সংশোধনের জন্য বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত, ফুলতলা, খুলনায় দেওয়ানী মামলা দায়ের করা হয়। আদালত বিসিকের পক্ষে মালিকানা স্বত্ত্ব নির্ধারণ করে এবং রেকর্ড সংশোধনের জন্য রায় (ডিক্রি) প্রদান করেন। রায়ের কপিসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সহকারী কমিশনার (ভূমি), ফুলতলা, খুলনার নিকট আবেদন করা হয়। উক্ত আবেদন অনুযায়ী রেকর্ড সংশোধনের বিষয়টি বর্তমানে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, খুলনার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। রেকর্ড সংশোধন না হওয়ায় জমির খাজনা পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া বিসিকের পক্ষেও সরকারী রাজস্ব আদায় করা যাচ্ছে না। তিনি জরুরীভাবে জমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য অনুরোধ জানান।

বিসিক শিল্প নগরী, শিরমনির ৪১.৯৫ একর জমি ১নং খাস খতিয়ান হতে বিসিকের নামে রেকর্ড সংশোধনের জন্য আবেদনের বিষয়টি দেখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

১। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), খুলনা

২। রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর, খুলনা

 

৫০

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ

উপস্থিত উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জানান, দপ্তরের কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে চলছে।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়।

নির্বাহী প্রকৌশলী

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, খুলনা

 

৫১

খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ

সমিতি

সভায় জি এম জানান, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সেচ সংযোগের অাবেদনের সাথে বাধ্যতামূলকভাবে উপজেলা সেচ কমিটির ছাড়পত্র দাখিলে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য সভাপতি এবং সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। এছাড়া দপ্তরের অন্যান্য কাজ সুষ্ঠুভাবে চলছে।

সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, রূপসা জানান, রূপসা উপজেলা ও বাগেরহাট জেলার ফাকিরহাট উপজেলা পাশাপাশি হওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহে চরম বৈষম্যের সৃষ্টি হচ্ছে। রূপসা উপজেলায় ৩ ঘন্টা লোড সেডিং দিলে ফকিরহাট উপজেলায় দেয়া হচ্ছে ১ ঘন্টা। একারনে এলাকার জনগণ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। যে কোন সময় বিশৃংখলা সৃষ্টি হতে পারে। তিনি বিষয়টির প্রতি দৃষ্টি দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানান।

১)তি মৌসুমে সেচ কার্যক্রমে যথারীতি বিদ্যুৎ সংযোগসহ নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

২) রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অভিযোগের বিষয়টি দেখার জন্য জেনারেল ম্যানেজার, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, খুলনাকে অনুরোধ করা হয়।

জেনারেল ম্যানেজার, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, খুলনা।

 

৫২

জেলা ত্রাণ ও পূণর্বাসন অফিস

সভায় জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসনর্মকর্তা জেলায় নতুন যোগদান করায় সভায় পরিচিত হন এবং তাঁর দপ্তরের কাজকর্মে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

সভাপতি নতুন যোগদানকৃত কর্মকর্তাকে খুলনা জেলায় স্বাগত জানান।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়।

জেলা ত্রাণ ও পূণর্বাসন কর্মকর্তা, খুলনা

৫৩

বিআরটিএ

কোন প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় আলোচনা করা সম্ভব হলো না।

সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়।

সহকারী পরিচালক, বিআরটিএ খুলনা

৫৪

জাতীয় মহিলা সংস্থা

সভায় জেলা কর্মকর্তা জানান, দপ্তরের কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে চলছে।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়।

নির্বাহী কর্মকর্তা জাতীয় মহিলা সংস্থা, খুলনা

৫৫

জেলা নির্বাচন অফিস

কোন প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় আলোচনা করা সম্ভব হলো না।

সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়।

জেলা নির্বাচন অফিসার-১/২, খুলনা

৫৬

পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশন

কোন প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় আলোচনা করা সম্ভব হলো না।

সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়।

আঞ্চলিক

ব্যবস্থাপক,

পলী দারিদ্র বিমোচন

ফাউন্ডেশন

,খুলনা

৫৭

পুলিশ সুপারের কার্যালয়

কোন প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় আলোচনা করা সম্ভব হলো না।

সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়।

পুলিশ সুপার, খুলনা

৫৮

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়

সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জানান, দাপ্তরিক কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে চলছে। দপ্তরে প্রাপ্ত পত্র ও আবেদনসমূহ ২৪ ঘন্টার মধ্যে উপস্থাপনের এবং জনগণকে সর্বাত্মক সেবা প্রদানের জন্য সকলকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি ওয়েব সাইট খোলা হয়েছে। সভাপিত সকল অফিসে ই-মেইল ঠিকানা খুলে সকলকে জানানোর জন্য অনুরোধ জানান।

সকল অফিসে ই-মেইল ঠিকানা খুলে সকলকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়।

সকল দপ্তর প্রধান, খুলন

৫৯

বিভাগীয় সরকারী গণ গ্রন্থাগার

কোন প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় আলোচনা করা সম্ভব হলো না।

সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়।

লাইব্রেরিয়ান

বিভাগীয় সরকারী গণগ্রন্থাগার,

খুলনা

৬০

বাংলাদেশ রেলওয়ে

কোন প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় আলোচনা করা সম্ভব হলো না।

সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়।

এরিয়া অপারেটিং ম্যানেজার, বাংলাদেশ রেলওয়ে, খুলনা

৬১

জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো

কোন প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় আলোচনা করা সম্ভব হলো না।

সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়।

সহকারী পরিচালক,

জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো, খুলন

৬২

বিষ্ফোরক পরিদপ্তর

কোন প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় আলোচনা করা সম্ভব হলো না।

সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়।

বিষ্ফোরক পরিদর্শক, খুলনা

৬৩

পাট অধিদপ্তর

সভায় সহকারী পরিচালক জানান, কাঁচা পাট রপ্তানী বন্ধের বিষয়টি গত ১২-০২-১০ তারিখ প্রত্যাহার করায় বৈদেশিক বাজারে কাঁচা পাট রপ্তানী পূণরায় শুরু হয়েছে। ফলে বাজার ক্রমান্বয় উদ্বমূখী। বর্তমানে কোন কোন এলাকায় পাটের বাজার প্রতি মন ২৬০০/=টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়।

সহকারী পরিচালক, পাট অধিদপ্তর, খুলনা

৬৪

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর

সভায় নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ঘুণিঝড় সিডর ও আইলায় ক্ষতিগ্রস্থ ২০টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্ড্রের মেরামত ও সংস্কার কাজের প্রাক্কলনের তালিকা অনুমোদনের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে। বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে কাজ বাসতবায়িত হবে। এছাড়া কয়রা উপজেলায় ২০ শয্যা বিশিষ্ট নতুন হাসপাতাল নির্মাণের জন্য অধিগ্রহণকৃত ৩.০০ (তিন) একর জমির ক্ষতিপূরণ মূল্য বাবদ ১৩,৬৬,০২৬.৩৭ টাকা জেলা প্রশাসক, খুলনা মহোদয় বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, উক্ত জায়গা নিয়ে আদালতে মামলাও রয়েছে

১)ঘুণিঝড় সিডর ও আইলায় ক্ষতিগ্রস্থ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্ড্রের মেরামত ও সংস্কার কাজ এবং কয়রা উপজেলায় ২০ শয্যা বিশিষ্ট নতুন হাসপাতাল নির্মাণ দ্রুত শুরু করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

নির্বাহী প্রকৌশলী স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, খুলনা

৬৫

হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্ট

কোন প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় আলোচনা করা সম্ভব হলো না।

সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়।

সহকারী

পরিচালক, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, খুলনা

৬৬

প্রত্মতত্ত্ব অধিদপ্তর

কোন প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় আলোচনা করা সম্ভব হলো না।

সভায় নিয়মিত উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়।

আঞ্চলিক পরিচালক,

প্রত্মতত্ত্ব

অধিদপ্তর, খুলনা

৬৭

বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন

উপস্থিত প্রতিনিধি জানান, বর্তমানে হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের ঋণ কার্যক্রম চালু আছে। যে কোন নাগরিক শর্ত মোতাবেক ঋণের জন্য আবেদন করতে পারেন।

সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অনুরোধ করা হয়।

জোনালম্যানেজারবাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন,খুলনা

৬৮

খুলনা ওয়াসা

সভায় প্রতিনিধি জানান, চলমান খরা মৌসুমে বিদ্যুতের অত্যাধিক লোড শেডিং এর কারনে ওয়াসার প্রায় ৭০টি পানির পাম্প সঠিকভাবে চালানো সম্ভব হচ্ছে না। পানি একটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিধায় পানির পাম্প এলাকায় যাতে লোড সেডিং কম করা হয় সে বিষয়ে সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষন করেন।

এছাড়া শহরে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য বিভিন্ন স্থান হতে পানি সংগ্রহ করে পানির গুণগতমান পরীক্ষার জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগে প্রেরণ করা হয়েছে। বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহের লক্ষ্যে গৃহীত প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলগ্ধছ। ঘন্টায় ৫,৪০,০০০ লিটার এবং দিনে ৫৪,০০,০০০ লিটার পানি ওয়াসা কর্তৃপক্ষ নগরবাসীকে সরবরাহ করছে। তিনি শহরের বাড়িতে ওয়াসার মাধ্যমে পানির সংযোগ নেয়ার অনুরোধ জানান।

সভাপতি পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠানমালায় খাবার পানি সরবরাহের জন্য ওয়াসা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।

১) পানির পাম্প এলাকায় লোড সেডিং কম করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

১) ব্যবস্থাপক,

বিবিবি-১/২/৩/৪, ওজোপাডিকো লিঃ, খুলনা

বিবিধ-১ : সভাপতি সকল অফি­সে কম্পিউটারসহ ইন্টার­নেট ব্যবহার এবং ই-মেই­লের মাধ্য­­ম যোগা­যাগ সহাপ­­নর জন্য e-mail address ব্যবহা­রের উপর গুরতত্বা­­রাপ ক­রেন এবং সকল অফি­সের e-mail address জেলা প্রশাসকের কার্যাল­য়ে প্রের­ণের জন্য অন¤ু­রাধ ক­­রন।

বিবিধ-২ : সহানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মমএণালয়, ঢাকার ২৪-২-০৯ তারি­খর সহাসবি/ইপ/বিবিধ-৮/২০০৭/১৫৯ নং স্মার­ক প্রাপ্ত প­ত্রের বিষ­য়ে আ­লোচনা হয়। প­­ত্র স্বরাষ্ট্র মমএণাল­­য়র ০৬-০১-০৯ তারি­খের ১৬ নং স্মারকপত্র মোতা­বেক জেলা/উপ­জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় জঙ্গিঁ তৎপরতা রো­ধ উদ্বুদ্ধকরণ কার্যত্রুম সম্প­র্কে আ­লোচ্যসূচী রাখাসহ অনুষ্ঠিত সভার কার্যবিবরণী নিয়মিতভা­ব স্বরাষ্ট্র মমএণাল­­য় প্রের­­ণর জন্য অনুরোধ করা হ­য়ে­­ছ।

নি­র্দেশনা­­ত সভাপতি যার যার অবসহা­­ন থে­কে এলাকায় জঙ্গীবাদ/সমএাসবা­দের কুফল সম্প­র্ক জনগণ­­ক অবহিত এবং প্রতিহত করার ফলাফ­­লর বিষ­­য় সভায় আ­লাচনা ক­রেন।

সিদ্ধান্ত : যার যার অবসহা­নে থে­কে এলাকায় জঙ্গিঁবাদ/সমএাসবা­দের কুফল সম্প­র্ক জনগণ­কে অবহিত এবং প্রতিহতসহ জঙ্গী সংত্রুামত যে কোন তথ্য সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং সহানীয় প্রশাসন­­ক দ্রতত অবহিত করার জন্য উপসিহত সকল সদস্য­কে অনু­রাধ করা হয় এবং এ বিষয়ে উপ­জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় আ­লাচনাপূর্বক কার্যকরী ব্যবসহা গ্রহণসহ সভার কার্যবিবরণী স্বরাষ্ট্র মমএণাল­­য়র রাজ~~নতিক শাখা-২ এ প্রের­ণের জন্য সকল উপ­­জলা নির্বাহী কর্মকর্তা­কে অনু­রোধ করা হয়।

বিবিধ-৩: সভায় সচিব, সংসহাপন মমএণালয়, ঢাকা ম­হাদ­য়ের ০৮-৪-০৯ তারি­­খর ডি, ও পত্র নং সম(মাঃপ্রঃ৩)-বিবিধ০২/ ২০০৯-১২৯ এর বিষ­য়ে আ­লোচনা হয়। প­­ত্র মানসম্মত শিক্ষা বিসতা­­রর মাধ্য­ম একটি দক্ষ জনশত্তিুর ভিত গ­ড়ে তোলা, জেলা/উপ­­জলা পর্যা­­য় সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক জনসাধারণ­কে প্রদত্ত সেবা সম্প­র্কে অবহিত করণ এবং জেলা সদর থে­কে গ্রাম পর্যায় পর্যমত দূর্নীতি বি­রাধী জনস­চতনতা বৃদ্ধিক­ল্পে উদ্ধুদ্ধকরণ কর্মসূচী বাসতবায়ন সম্প­­র্ক মাসিক কার্যত্রুম গ্রহণ অ­মেত প্রতি­­বদন নির্ধারিত ছক মোত¡া­বক প্রতি মা­সের ১০ তারিখের ­­ধ্য প্রের­­ণর জন্য নি­র্দশনা দেয়া হয়ে­­ছ।

সিদ্ধামত ঃ বিসতারিত আ­লাচনা­মেত বর্ণিত তিনটি বিষয়ে বাসতবায়­নে সভাপতি উপসিহত সকল সদ­স্যের সহ­যোগিতা কামনা ক­­রন। এছাড়া উত্তু বিষ­­য় মাসিক প্রতি­বেদন প্রের­­ণর ল­ক্ষ্যে কার্যত্রুম গ্রহণ অ­মেত মাসিক প্রতি­বেদন নির্ধারিত ছক মোতা­বেক প্রতি মা­সের ০৩ তারি­­খর ম­­ধ্য ­জলা প্রশাস­­কর কার্যাল­­য় প্রের­ণের জন্য সকল উপ­জলা নির্বাহী অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর­কে অন¤ু­রাধ করা হয়।

সভাপতি বিভিন্ন দপ্তরসমূ­হের সমনবে­য়র মাধ্য­মে জেলার উন্নয়ন­কে আ­রা গতিশীল করার আশাবাদ ব্যত্তু ক­রেন। সভায় আর কোন আ­­লাচ্য বিষয় না থাকায় উপসিহত সদস্যবৃন্দ­­ক ধন্যবাদ জানি­য়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

স্বাক্ষরিত-

২০-৪-১০

( এন এম জিয়াউল আলম )

জেলা প্রশাসক

খুলনা।

 

স্মারক নম্বর- জ্রেপ্রখু/সাধা/৬-উ-১/২০০৯(অং- ৩)-৪৩৭(১২০)/১

 

তারিখঃ

১২ বৈশাখ ১৪১৭

২৫ এপ্রিল ২০১০

অনুলিপি সদয় অবগতি/অবগতি ও প্র­য়োজনীয় ব্যবসহা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হ­লোঃ

01. মমিএপরিষদ সচিব, মমিএপরিষদ বিভাগ, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

02. মুখ্য সচিব, প্রধানমমএীর কার্যালয়, পুরাতন সংসদ ভবন, তেজগাঁও, ঢাকা

03. সচিব, সহানীয় সরকার বিভাগ, সহানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

04. সচিব, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, সহানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

05. সচিব, স্বরাষ্ট্র মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

06. সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

07. সচিব, শিক্ষা মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

08. সচিব, কৃষি মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

09. সচিব, পানি সম্পদ মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

10. সচিব, যোগা­যাগ মমএণালয়, বাংলা­­দশ সচিবালয়, ঢাকা

11. সচিব, শিল্প মমএণালয়, বাংলা­­দশ সচিবালয়, ঢাকা

12. সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

13. সচিব, যুব ও ত্রুীড়া মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

14. সচিব, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

15. সচিব, মৎস্য ও পশুসম্পদ মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

16. সচিব, স্বাসহ্য ও পরিবার কল্যাণ মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

17. সচিব, সমাজ কল্যাণ মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

18. সচিব, বসএ ও পাট মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

19. সচিব, খাদ্য ও দু­র্যাগ ব্যবসহাপনা মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

20. সচিব, পরি­বেশ ও বন মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

21. সচিব, ডাক ও টেলি­যোগা­যাগ মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

22. সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

23. সচিব, সংস্কৃতি বিষয়ক মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

24. সচিব, শ্রম ও কর্মসংসহান মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয়, ঢাকা

25. সচিব, তথ্য মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবলায, ঢাকা

26. সচিব, নৌ-পরিবহন মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালয, ঢাকা

27. মহাপরিচালক, ইসলামিক ফাউ­­ন্ডশন বাংলা­দেশ, আগারগাঁও, ঢাকা

28. বিভাগীয় কমিশনার, খুলনা

২৩| উপ-সচিব, রাজ~~নতিক শাখা-২, স্বরাষ্ট্র মমএণালয়, বাংলা­দেশ সচিবালায়, ঢাকা।

২৪| সচিব, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, ১/আই, পরিবাগ, রমনা, ঢাকা।

২৫| _____________________

........................................................................................................................................

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সাধারণ শাখা

জেলা প্রশাসক, খুলনা

এঁর প­ক্ষ

পরিশিষ্ট-ক

গত ১৫-৪-১০ তারিখ অনুষ্ঠিত জেলা উনণয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় উপসিহত সদস্য­­দর হাজিরা

(স্বাক্ষরের ত্রুমানুসা­রে)।

 

1.

জনাব অাব্দুল হানণান বিশ্বাস, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, খুলনা

2.

জনাব জাফর আহাম্মদ খাঁন, নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ-১, খুলনা

3.

জনাব শেখ আব্দুর রব, নির্বাহী প্রকৌশলী, এলজিইডি, খুলনা

4.

জনাব হিরামন কুমার বিশ্বাস, সহকারী পরিচালক, জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, খুলনা

5.

জনাব মাখন লাল দাস, উপ পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, খুলনা

6.